ধোঁয়াশায় পরিবেশ অধিদপ্তর,জেলাজুড়ে তোলপাড়!

প্রকাশিত: ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ, জুন ১৭, ২০২২

বার্তা পরিবেশকঃ

কক্সবাজার পৌরসভার কস্তুরাঘাট এলাকায় প্যারাবন কর্তন ও দখলের ঘটনায় পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

মামলা ধায়ের এর অল্প কিছুক্ষণের মাধ্যে কক্সবাজার এর সচেতন মহল ও ছাত্রসমাজের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়া এবং ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

সাবেক প্রবীণ ছাত্রলীগ নেতা ও সচেতন মহল এর মতে, এই মামলা প্রকৃত অপরাধীদের রক্ষা করার জন্য এবং যারা দীর্ঘদিন ধরে বাঁকখালী ও প্যারাবন দখল করেছে তাদের রক্ষা করতে এবং মামলার মেরিট নষ্ট করার জন্য করা হয়েছে।

মামলার প্রত্যাহার এর দাবীতে আজ (১৬ই জুন) কক্সবাজার শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে ও বিভিন্ন উপজেলায় তৃণমূল ছাত্রলীগের কর্মীরা মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মীসূচী পালন করে।

এই ব্যাপারে কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তর এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, মূলত ভূল তথ্যের কারনে কিছু ব্যক্তি বিশেষ এর নাম মামলায় যুক্ত হয়েছে। পরিবর্তী তদন্ত পূর্বক নির্দোষ ব্যক্তিদের মামলা থেকে বাদ দেওয়া হবে।

পরবর্তীতেতে তাদের অফিশিয়াল ফেইসবুক পেইজ থেকে এই সংক্রান্ত একটি স্ট্যাটাস দেওয়া হয়। পাঠকদের সুবিধার্থে স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলঃ

কক্সবাজার পৌরসভার কস্তুুরাঘাট এলাকায় প্যারাবন কর্তন ও দখলের ঘটনায় পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। বিভিন্ন মহল থেকে বলা হচ্ছে উক্ত মামলায় কিছু নির্দোষ ব্যাক্তিকে আসামি করা হয়ছে। সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, যেকান মামলা প্রাথমিকভাবে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে থানায় দায়ের করা হয়। মামলাটি সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে নির্দোষ ব্যক্তিদের মামলার দায় হতে অব্যাহতি দিয়ে এবং প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করে দ্রুততর সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হবে। এ বিষয়ে কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।

পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার এর ফেইসবুক স্ট্যাটাস

 

এই ব্যাপারে কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মারুফ আদনান বাংলাদেশ পেপার’কে  বলেন,
আমার বিরুদ্ধে যেসব বিষয় এনে আসামী করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং উদ্যেশ্যপ্রণোদিত। বাঁকখালী নদী এবং প্যারাবনের ঐ জায়গায় যদি আমার এক ইঞ্চিও জায়গা আছে তেমন প্রমান কেউ দিতে পারে তবে দেশের প্রচলিত আইনে যে শাস্তি দিবে আমি তা মাথা পেতে নিবো।