বাংলাদেশ, , মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪

মেধাবীরা বুয়েটে সীমাবদ্ধ নয়, কৃতিত্ব মেলে পাবলিক-প্রাইভেট সেক্টরেও

বাংলাদেশ পেপার ডেস্ক ।।  সংবাদটি প্রকাশিত হয়ঃ ২০২৪-০৪-০১ ১৮:৫৮:৫৬  

রাষ্ট্র কি কেবল বুয়েট ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থীদের নিয়ে পরিচালিত হতে পারে?

আর্টস এবং কমার্স এর স্টুডেন্ট দের জন্য সর্বোচ্চ স্থান প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। দেশ সেরা আর্টস এবং কমার্স এর মেধাবী শিক্ষার্থীরাই এখানে পড়াশোনার সুযোগ পায়। সুতরাং একতরফাভাবে সর্বোচ্চ মেধাবীরা যে বুয়েটেই পড়ে সেই কথা থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে। বরং শিক্ষার্থীরা তাদের জীবনের লক্ষ্য বাচাই করেন কেউ মেডিকেল বিভাগে,কেউ বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বুয়েট থেকে গ্র‍্যাজুয়েশন সম্পন্ন করে নিজেদের বিভিন্ন সেক্টরে স্বয়ংসম্পন্ন করতে।

এরিস্টটল বলেছে মানুষ মাত্রই সামাজিক ও রাজনৈতিক জীব। পাশাপাশি নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই যদি বলি অরাজনৈতিক এবং নিরপেক্ষ কোনো মানুষ নাই।সাধারণ এর ছায়ায় শিবিরের যে অনলাইন এবং অফলাইন এক্টিবিটিসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের ব্যানারে জামাতি কার্যকলাপে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা হয়, তাকে কি আমরা শিবিরের অপরাজনীতি বলব না? আর যদি বুয়েটের মতো জায়গায় শিবিরের অপরাজনীতির চর্চা সক্রিয় থাকে তবে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ছাত্ররাজনীতির যথাযথ এবং সুচর্চা নিশ্চিত করবে না কেন?

রাষ্ট্রের ভাল পোশাক দরকার নাই,ভাল মানুষ দরকার। এই পর্যন্ত যত অসঙ্গতি বা অনিয়ম রাষ্ট্রের হাতে মেলেছে তাতে বুয়েটের শিক্ষার্থীদের মতো অনেক জ্ঞানপাপীরাও জড়িত ছিল। রাতের আঁধারে বুয়েট ক্যাম্পাসের চিপায় কিংবা হোস্টেলের রুমে বইয়ের ভাঁজে শিবিরের মাসিকপত্র আর পরের দিনের রাজনৈতিক কর্মতৎপরতা বসে সাজায়,দেশের শান্ত পরিবেশকে নষ্ট করতে চায় তাদের প্রবল প্রতিপক্ষ হয়ে যুগ যুগ ধরে লড়ে যাবে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।

সিট সংকুলানের কারণে ঢাকা মেডিকেল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ থেকে অজস্র মেধাবীরা ছিটকে পড়ে। তার মানে তো এইনয় যে তারা মেধার কাছে হেরে গেছে। তারাও বিভিন্ন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অধ্যয়ন শেষ করে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ স্থানে কৃতিত্বের সহিত কাজ করে যাচ্ছে। সকল মানুষই স্ব স্থান থেকে মেধা ও প্রজ্ঞা নিয়ে যোগ্য। কাউকে হীন করার জন্য নয়, বরং কাউকে যেন অপদস্থ কিংবা কারো মেধার বৈষম্য করা না হয় সে ব্যাপারটাই জোর দেওয়া জরুরি।

বুয়েটে ছাত্ররাজনীতি বন্ধ হলে বুয়েটের সকল শিক্ষার্থী কি পড়াশোনা শেষ করে ফেরেশতা হয়ে যাবে? জব সেক্টরে কি কমিশন খাওয়া বন্ধ করে দিবে? বুয়েট থেকে পাশ করা একজন শিক্ষার্থী কি সমাজের ১০টা বেকার ছেলের দায়িত্ব নিয়েছে কখনো? কিন্তু বুয়েটে পড়ালেখার পাশাপাশি ছাত্রলীগের রাজনীতি করা ছেলেটা নিশ্চিতভাবে মানুষের উপকার করার মানসিকতা লালন করে বেড়ে উঠে।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তুখোড় মেধাবীরা আত্মকেন্দ্রিক হয় নিজেদের আখের গুছাতে কিংবা ক্যারিয়ার সাজাতে। অন্যদিকে একজন রাজনীতিক ক্যারিয়ারের পাশাপাশি কোনো না কোনোভাবে দেশ, মাটি এবং মানুষকে নিয়ে ভাবে।

লেখক:

এস এম সাদ্দাম হোসাইন

সভাপতি , বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ,কক্সবাজার জেলা শাখা।


পূর্ববর্তী - পরবর্তী সংবাদ
       
                                             
                           
ফেইসবুকে আমরা