সিবিডিএস এর ৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পণ

প্রকাশিত: ১:১৯ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ২৯, ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মানব শরীরের এক পরিবহন মাধ্যম, অস্বচ্ছ লাল তরল পদার্থটির নামই রক্ত।

যদিও নিজেদের শরীরে জৈবিক ভাবেই রক্ত উৎপন্ন হয় তবুও বিভিন্ন সময়ে নানা কারনে আমাদের রক্তের প্রয়োজন হয়; হয়ত নিজের জন্য নয়ত আপনজনের অসুস্থতায়।

মানব শরীরে সবার রক্তের রঙ লাল হলেও চাইলেই একজন মানুষের শরীর থেকে আরেকজন মানুষের শরীরে রক্ত সঞ্চালন করা যাবে না।

তার কারণ মানুষের রক্তের বিভিন্ন গ্রুপ রয়েছে। রক্তের লোহিতকণায় ও রক্তরসে রাসায়নিক উপাদানগত কিছু তারতম্য রক্তের এই শ্রেণি বিভাগের কারণ।

এই বিড়ম্বনার কারনে যেকোনো সমস্যায় প্রয়োজনীয় গ্রুপের রক্ত দাতা খোঁজে পাওয়া প্রায় দুষ্কর। এই সমস্যাকে মাথায় রেখে কক্সবাজার জেলায় ২০১৬ সালে কিছু স্বেচ্ছাসেবী তরুণের মাধ্যমে যাত্রা হয় “কক্সবাজার ব্লাড ডোনার সোসাইটি”।

ইতিমধ্যে এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পুরো জেলা জুড়ে সদস্য সংখ্যা প্রায় ৭ শত এর অধিক। এই সংগঠনের সদস্যরা শুধু শহর নয় বরং প্রতিটা গ্রাম মহল্লায় রক্তদান ছাড়াও যেকোন মানবিক কাজে যুক্ত থাকে বলে জানিয়েছেন  সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাহিদ আলী।

আজ এই মানবিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমরা সব সময় মানবিকতার জন্য কাজ করেছি। একজন অসুস্থ মানুষ যার রক্ত লাগবে বা হাসপাতালে ভর্তি রোগীর আপনজনই জানেন রক্তের কতটা গুরুত্ব। আমরা প্রতিটা অসুস্থ রোগীকে নিজেরই আপনজন চিন্তা করি, তাই যেকোন পরিস্থিতিতে রক্তদাতা সর্বাত্মক চেষ্টা করে রক্ত দেওয়ার। স্বেচ্ছায় এই মানব সেবা সকলের কাছে মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

কক্সবাজার ব্লাড ডোনার’স সোসাইটির সভাপতি আশরাফুল হাসান রিশাদ বলেন, আমরা মানবসেবায় আজ ৬ষ্ঠ বছরে পদার্পণ করেছি, যা অত্যন্ত আনন্দের। এই সুদীর্ঘ পথচলায় আমাদের অনেক রক্তদাতা স্বেচ্ছায় রক্তদানের মাধ্যমে মানবসেবায় ভূমিকা রেখেছেন। তাদের কাছে আমি আন্তরিক ভাবে কৃতজ্ঞ।

তিনি আরো বলেন, এরই সাথে আমাদের মানবসেবার এই অরাজনৈতিক সংগঠন যেন সকলের কাছে আরো বেশি সহায়ক হয়ে উঠে সেই ব্যাপারে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।