ভারতে আদালতে পৌঁছার আগেই বর-কনেকে গুলি করে হত্যা!

প্রকাশিত: ১০:২৩ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ১, ২০২১

বিয়ের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আদালতে যাওয়ার পথে ভারতে বর ও কনেকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।

হরিয়ানা রাজ্যের রোহতক জেলার দিল্লি বাইপাস রোডের কাছে গত বুধবার এ ঘটনা ঘটে।

প্রেমের বিয়ে মানতে না পেরে মেয়ের কাকা ও তার ছেলেরা প্রকাশ্য দিবালোকে তাদের গুলি করে পালিয়ে যায়।

আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে– বিয়ের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আদালতে যাচ্ছিলেন যুগল। সঙ্গে ছিলেন ছেলে পক্ষের আত্মীয়রাও।

আদালতে পৌঁছনোর আগে রাস্তাতেই গুলি করে ওই যুগলকে হত্যা করে মেয়ের কাকা ও তার ছেলেরা।

পুলিশ জানিয়েছে, ২৭ বছরের পূজার সঙ্গে ২৫ বছরের রোহিতের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। শুরু থেকেই এ সম্পর্ক মেনে নেয়নি মেয়েটির কাকা।

রোহিতের মা জানিয়েছেন, দুই পরিবারেই এ বিয়ে নিয়ে প্রথমে আপত্তি ছিল। অনেক বোঝানোর পর রাজি হয় রোহিতের পরিবার। শুরুতে রাজি না থাকলেও পূজার কাকা কুলদীপ পরে তাদের সম্পর্ক মেনে নিয়েছেন বলে জানান।

তিনি আরও বলেন, কথা বলার নাম করে আদালতে যাওয়ার আগে বুধবার আমাদের সঙ্গে দেখা করতে আসে মেয়ের কাকা ও আত্মীয়রা। পরে দিল্লি বাইপাস রোডের কাছে জনবহুল বাজারের মধ্যে গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়।

পুলিশ জানিয়েছে, কুলদীপই রোহিতের আত্মীয়দের বিয়ের সময় উপস্থিত থাকার জন্য আদালতে ডেকেছিলেন। পরে বিয়ে সংক্রান্ত কিছু বিষয় নিয়ে কথাবার্তা বলার জন্য তাদের মহর্ষি দয়ানন্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে ডেকে পাঠান। রোহিতের পরিবার সেখানে হাজির হলে তার গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালায় কুলদীপ। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই যুগলের।

এ ঘটনায় রোহিতের বাবার অভিযোগের পর পুলিশ পূজার কাকা, তার ছেলে কপিল কুমার ও আরও তিনজনকে গ্রেফতার করে।

পুলিশের ধারণা, পরিবারের সম্মান রক্ষার নামেই ওই যুগলকে খুন করেছেন কুলদীপ। তবে এর পেছনে সম্পত্তি সংক্রান্ত দ্বন্দ্ব আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।




error: কপি রাইট আইনে সর্বস্বত সংক্ষিত