সংসদ সদস্যকে শোক দিবসের অনুষ্ঠানে ঢুকতে দেয়নি উপজেলা আওয়ামী লীগ

প্রকাশিত: ১০:০২ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৭, ২০২১

রাকিবুল ইসলাম রাফি,রাজবাড়ীঃ

রাজবাড়ির পাংশা উপজেলা আওয়ামী লীগের শোক দিবসের আয়োজনে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য-৪০ (রাজবাড়ী) অ্যাডভোকেট খোদেজা নাসরিন আক্তার হোসেনকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। এই অনুষ্ঠানে যোগদানের উদ্দেশ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে গেলেও নেতা-কর্মীদের বাধার মুখে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করতে পারেননি তিনি।

এমপির অভিযোগ, ‘আমি উপজেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হওয়া আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে অংশ গ্রহণের জন্য দলীয় কার্যালয়ে ঢুকতে গেলে নেতা–কর্মীরা বাঁধা দেন। তারা বলেন, আপনি ত্যাগী ও নির্যাতিত আওয়ামী লীগের ব্যানারে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠান থেকে এসেছেন। আপনাকে ঢুকতে দেওয়া হবে না। পরেও আমাকে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। অপমান জনক উক্তির মাধ্যমে বের করে দেয়। এটি অত্যন্ত ন্যক্কারজনক ঘটনা। পাংশায় সংবাদ সম্মেলন করে আমি এর প্রতিবাদ জানাব। রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী ইরাদত আলীকে আমি বিষয়টি অবহিত করেছি, তিনি এ বিষয়ে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন।’

জানা যায়, রাজবাড়ীর পাংশায় উপজেলা আওয়ামী লীগ ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা–কর্মীরা পৃথক ভাবে শোক দিবস পালন করেছে। এই দুই পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলায় এ পৃথক আয়োজন। ১৫ই আগস্ট উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে আসার আগে বিকেল ৩টায় পাংশা পৌরসভা চত্বরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা–কর্মীদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান বক্তা হিসেবে অংশ নিয়েছেন। এই কারণেই তাঁকে দলীয় কার্যালয়ে ঢুকতে দেয়নি পাংশা উপজেলা যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জালাল উদ্দীন বিশ্বাস এবং উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক ফজলুল হক ফরহাদ সহ বেশ কয়েকজন নেতা–কর্মী।

এ বিষয়ে পাংশা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এ কে এম শফিকুল মোর্শেদ আরুজ বলেন, আমি তাঁকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম। আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের অনুষ্ঠানে প্রবেশের সময় কে বা কাহারা দরজার সামনে থেকে বলেছে, ‘আপনি ত্যাগী আওয়ামী লীগের অনুষ্ঠান থেকে এসেছেন। আপনাকে এখানে ঢুকতে দেওয়া হবে না। পরে বেশ কিছু কথা-কাটাকাটি হলে সেখান থেকে তিনি চলে যান।’

এ বিষয়ে জানতে সাংগঠনিক ব্যবস্থা কেমন হবে তা জানতে রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী ইরাদত আলীর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে। তবে তিনি ফোন রিসিভ করেনি।