পর্যটকদের অনিহা, মহেশখালী ঘাটে দিতে হয় ৪ গুণ টোল

প্রকাশিত: ২:৫০ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২১

 

সিয়াম সোহেলঃ

মহেশখালী কক্সবাজার নৌ রুটে চলাচল করতে গিয়ে পর্যটকদের ভোগান্তির অভিযোগ উঠেছে। নেওয়া হচ্ছে অতিরিক্ত টোল। যেখানে স্থানীয়দের কাছ থেকে প্রতিজন ৫ টাকা আর পর্যটকদের কাছ থেকে নেওয়া হয় চার গুণ বেশি ২০ টাকা করে। আরো অভিযোগ আছে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং ঝুঁকি নিয়ে লাইফ জ্যাকেট ছাড়া আনা নেয়া করা হচ্ছে যাত্রীদের। এমনকি রিজার্ভ ছাড়া যেতে চায় না স্পীড বোট গুলো। এমনকি সময়ের অজুহাত দেখিয়ে ভ্রমনের আগেই ফেরার চাপ প্রয়োগ ও অতিরিক্ত ভাড়া চাওয়া হয় পর্যটকদের কাছ থেকে।

পর্যটকরা বলছেন স্থানীদের চেয়ে চারগুণ ভাড়া নিচ্ছে আমাদের কাছ থেকে, এছাড়াও লাইফজ্যাকেট নেই। সংলিষ্ট প্রশাশনের নজর দেওয়া জরুরি।

এছাড়াও জেটিঘাটে নারীদের উত্যক্ত করার অভিযোগও করেন পর্যটকরা। এমন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় ক্ষোভ জানিয়েছে এই নৌ রুটে চলাচলকারী যাত্রীরা।

স্থানীয় একজন নারীযাত্রী বলেন এরকম একটি টুরিষ্ট স্পষ্টে নেই কোন টুরিষ্ট পুলিশ। এখান। প্রায় মেয়েদের ইভটিজিংসহ নানান অপকর্মের ঘটনা ঘটে থাকে। নিরাপত্তা নিশ্চিত অতীব জরুরি।

অন্যদিকে কাঠের বোট গুলো নিয়ম ভঙ্গ করে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে যাতায়াত করে থাকে।তবে বোট চালকরা বলছেন নিয়ম মতো যাত্রী নিয়ে গেলে খরচ পোষাতে হিমশিম খেতে হয় তাদের।
এই ব্যাপারে বোট চালক বলেন এই অল্প ভাড়ায় তেল সহ নানান খরচ বাদ দিয়ে চালক ও মালিকের পোষায় না, যার কারনে অতিরিক্ত যাত্রী নিতে হয়।

তবে ঘাটের ইজারাপ্রাপ্ত টোল উত্তোলক জানিয়েছেন, সরকারি নিয়ম মেনেই পর্যটকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত এই টোল নেওয়া হচ্ছে যা সরকারি গেজেটের অন্তর্ভূক্ত।

এদিকে ভাটা হলে যেনো ভোগান্তি বাড়ে আরো দ্বিগুণ। মহেশখালী – কক্সবাজার নৌরুটের দীর্ঘদিনের এসব ভোগান্তি থেকে পরিত্রাণ চায় যাত্রীরা।




error: কপি রাইট আইনে সর্বস্বত সংক্ষিত