চিন্হিত সন্ত্রাসী আশুআলীর নেতৃত্বে শাহাবুদ্দিনকে কুপিয়ে হত্যা

প্রকাশিত: ৯:৫২ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৩০, ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কক্সবাজার পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের আওতাধীন সাবমেরিন ক্যাবল এর বিপরীত পাশে ফরেষ্টর গলিতে মৃত গুরা মিয়ার পুত্র শাহাবুদ্দিনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে শহরের চিহ্নিত সন্ত্রাসী আশুআলীর নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একদল সন্ত্রাসী গ্রুপ।

আজ শনিবার সন্ধ্যা ৬ টা ৫০ মিনিটের সময় নিহত শাহাবুদ্দিনের বাসার গেইটের সামনে পরিকল্পিতভাবে এই নেক্কারজনক হত্যাকাণ্ড চালানো হয়।

রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত নিহত শাহাবুদ্দিন কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।

সূত্র জানায়, এই সন্ত্রাসী গ্রুপটি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে চাঁদা দাবি করে আসছিল নিহত শাহাবুদ্দিনের কাছ থেকে। তারই সূত্র ধরে পরিকল্পিতভাবে আজ সন্ধ্যা ছয়টা ৫০ মিনিটের সময় ১০ থেকে ১২ জন চিহ্নিত সন্ত্রাসী অস্ত্র সজ্জায় সজ্জিত হয়ে নিহত শাহাবুদ্দিনের বাসার গেটের সামনে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে, এই সময় শাহাব উদ্দিনের চিৎকারে লোকজন বের হয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা মৃত্যু নিশ্চিত করে ঘটনা স্থল থেকে পালিয়ে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, হামলার নেতৃত্ব দেয় শহরের চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও কয়েক ডজন মামলার আসামি আশুআলী, সরোয়ার, রায়হান, বাবু, বাহাদুর, আতিকসহ অজ্ঞাত ৭-৮ জন। যারা এলাকায় চাঁদা দাবী সহ মাদক ব্যবসার সাথে সরাসরি জড়িত। তাদের ছত্রছায়ায় মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে বদি আলম নামের এক মাদক ব্যবসায়ী ও স্ত্রী।

নিহত শাহাবুদ্দিনের বড়ভাই দক্ষিণ সাহিত্যিকা পল্লী সমাজ কমিটির সভাপতি নুরুল কবির বলেন, আমার ভাইকে চিহ্নিত সন্ত্রাসী আশুআলীর নেতৃত্বে ১০-১২ হামলা করে হত্যা করে। আমি আমার ভাই হত্যার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।

নিহত শাহাবুদ্দিনের ছেলে আরমান হোসেন বলেন, সন্ত্রাসীরা আমার বাবার কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে চাঁদা দাবি করত, আমি আমার বাবার হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন কক্সবাজার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মামুন উল ইসলাম এবং কক্সবাজার শহর পুলিশ ফাঁড়ির আইসি আনোয়ার হোসেন।

আনোয়ার হোসেন বলেন,

যারা হত্যাকাণ্ডে নেতৃত্ব দিয়েছিল তারা সবাই চিহ্নিত সন্ত্রাসী। পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগের মাধ্যমে প্রসাশন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। বিষয়বস্তু চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের কোনো ভাবে ছাড় দেওয়া হবে না।




error: কপি রাইট আইনে সর্বস্বত সংক্ষিত