বায়ু ও শব্দ দূষণের জরিপ চলছে কক্সবাজারে

প্রকাশিত: ২:১৭ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ২১, ২০২১

বাংলাদেশের পরিবেশে বায়ু ও শব্দ দূষণ এখন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। এই দূষণের ফলে মানুষ শুধু শারীরিকভাবেই নয় মানসিকভাবেও বিপর্যস্ত হচ্ছে বলে বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে। শহরের গণ্ডি পেরিয়ে গ্রাম পর্যন্ত এখন ছড়িয়ে পড়ছে শব্দ ও বায়ু দূষণ। এ বছরের ৬ জানুয়ারি থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত শব্দ ও বায়ু দূষণের উৎস এবং এর ক্ষতিকারক দিকগুলো নির্ণয়ে দেশব্যাপী জরিপ শুরু করেছে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্র।

এরই অংশ হিসেবে ছয় সদস্যের একটি গবেষক দল গেল দুদিন ধরে পর্যটন নগরী কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে শব্দ ও বায়ুর মান পরিমাপ করছে। বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীদের যুক্ত করে জরিপটি পরিচালিত হচ্ছে শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে।

বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যায়ন কেন্দ্র জানায়, কলকারখানা থেকে সৃষ্ট দূষণ থেকে শুরু করে গাড়ির ইঞ্জিন, নির্মাণ কাজ এবং বিভিন্ন ধরনের সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান থেকে শব্দদূষণ তৈরি হচ্ছে। তাই শহরের নিরব এলাকা খ্যাত দশটি স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির, গির্জা, দশটি আবাসিক এলাকা, দশটি বাণিজ্যিক এলাকা, দশটি বিভিন্ন ধরনের কারখানা, শিল্প এলাকা এবং দশটি রাস্তার সংযুক্তিগুলা আছে সেখানে এবং দশটি গ্রামীণ পরিবেশের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করছে গবেষক দল।

প্রাথমিক তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে জপিরকারীরা জানান, কক্সবাজার জেলা শহরের ভিতরে রাস্তায় যানবাহনের শব্দ ও বায়ু দূষণ এবং নির্মাণকাজের ও রাস্তার ধুলাবালি জাতীয় মান মাত্রা থেকে প্রায় দুই গুণ বেশি। কিন্তু আবাসিক এলাকা ও গ্রামীণ পরিবেশে শব্দের পরিমাণ মাত্রার ভিতরেই লক্ষ্য করা গেছে।

গবেষক দল প্রাথমিকভাবে রাস্তার গাড়ি শব্দ ও বায়ু দূষণের প্রধান উৎস। গবেষণা দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন এবং পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. আহমদ কামরুজ্জমান মজুমদার। শব্দ ও বায়ু দূষণ রোধে সচেতনতার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।




error: কপি রাইট আইনে সর্বস্বত সংক্ষিত