প্রতিপক্ষ দল নয়, নিজেদের পারফরম্যান্সের দিকেই দৃষ্টি মুমিনুলের

প্রকাশিত: ১২:১৭ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৩১, ২০২০

আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই সূর্যের অস্ত যাবে ২০২০ সালের। নতুন সূর্য ওঠার ঠিক ১০ দিন পরেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতে মাঠে নামবে বাংলাদেশ দল।

সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ১০ জানুয়ারি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে লড়াইয়ে নামবেন টাইগাররা। সেদিন দীর্ঘ ৯ মাস পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের খরা কাটবে বাংলাদেশের।

যদিও দীর্ঘসময় পর দেশের মাঠে আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের কথা শুনেও অতোটা খুশি হতে পারছেন না দেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা।

এর কারণ একটিই। শক্তিশালী ওয়েস্ট ইন্ডিজকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পাচ্ছে না তার দল। ক্যারিবীয় স্কোয়াডে নেই তারকা ক্রিকেটারদের কেউই।  করোনার অজুহাত দেখিয়ে টেস্ট অধিনায়ক জেসন হোল্ডার ও ওয়ানডে অধিনায়ক কাইরন পোলার্ডসহ উইন্ডিজের ১২ তারকা ক্রিকেটার এ সফর থেকে নিজেদের নাম সরিয়ে নিয়েছেন। এক কথায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বি-টিমের সঙ্গে লড়বেন টাইগাররা।

তাই দেশের ক্রীড়ামোদীরা এক রকম হতাশই বটে।

তবে বিষয়টি একদমই সেভাবে নিচ্ছেন না বাংলাদেশ টেস্ট দলের অধিনায়ক মুমিনুল হক। অন্যদের মতো হতাশ না হলেও বাংলাদেশ সফরে ক্যারিবীয় স্কোয়াড দেখে অবাক হয়েছেন তিনি।

টাইগার টেস্ট অধিনায়কের ভাষ্যে– ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে কে নেই আর কে আছে তা নিয়ে ভাবছেন না। নিজেদের খেলার দিকেই দৃষ্টি রাখতে হবে।

বুধবার মোবাইল ফোন যোগাযোগে সংবাদমাধ্যমকে মুমিনুল হক বলেন, ‘প্রতিপক্ষ বোর্ড কেমন দল দেবে না দেবে সেটি একান্তই তাদের ব্যাপার। এ নিয়ে আমাদের ভাবার কিছু নেই, কথা বলারও যৌক্তিকতা নেই। আমরা তাদের বিপক্ষে খেলতে নামব দল দেখে নয়, আমরা খেলব আমাদের প্রক্রিয়া ও কৌশল নিয়ে। সেটি যে দলই হোক না কেন।’

তাই বলে যে বিষয়টি একেবারেই আমলে নেননি তা কিন্তু নয়। ওয়েস্ট ইন্ডিজের টেস্ট স্কোয়াড দেখে হতাশ না হয়ে খানিকটা অবাক হয়েছেন মুমিনুল।

তিনি বলেন, ‘সত্যি কথা বলতে কী ওয়েস্ট ইন্ডিজ লাইনআপ দেখে আমি অবাক। তবে হতাশ হইনি। হতাশ হওয়ার কোনো কারণ আছে বলেও মনে করি না। বরং আমি উৎফুল্ল। মনের মধ্যে একটি স্বস্তিও বোধ করছি। একটি অন্যরকম ভালো লাগাও কাজ করছে। কারণ সৃষ্টিকর্তার দয়ায় আবার বেশ কয়েক মাস পর আমরা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরতে পারছি। এ বছর ফেব্রুয়ারি-মার্চে শেষ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছি আমরা।’

এর পর বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাদা জার্সির এই অধিনায়ক বলেন, ‘তাদের আগের দল এলে যেভাবে খেলতাম এই দলের বিপক্ষেও একইভাবে খেলব। আমরা আমাদের প্রক্রিয়া অবলম্বন করেই খেলব। একটি পেশাদার দল সেভাবেই খেলে। অন্য কিছু ভাবার সুযোগ নেই।’

আগামী ২০ জানুয়ারি ঢাকার শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে প্রথম দিবা-রাত্রির ম্যাচ দিয়ে শুরু ওয়ানডে সিরিজ। আর ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে শুরু প্রথম টেস্ট।