বাংলাদেশ , সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০

বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাংচুরের প্রতিবাদে আইআইইউসি শাখা ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল

সংবাদটি প্রকাশিত হয়ঃ  ২০২০-০২-০২ ০৫:৩৬:৫৪   

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি,আই আই ইউ সিঃঃ

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম ছাত্রলীগের কার্যালয় ভাঙ্গচুর এর প্রতিবাদে ও দ্রুত বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থিতিশীলতা নিরসনে বিক্ষোভ মিছিল করে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ।

উল্লেখ্য, বিগত কিছুদিন আগে অনেকটা নাটকীয় কায়দায় বন্ধ করে দেওয়া হয় বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাস ও মাত্র চার ঘন্টার নোটিশে হল ত্যাগের নির্দেশ প্রদান করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

এতে করে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পরে। বিশ্ববিদ্যালয়ের হঠকারী সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে জামাতপন্থী কিছু শিক্ষক মুখোশধারী বহিরাগত ক্যাডার নিয়ে হল খালি করতে যায় এবং সেখানে চিহ্নিত শিক্ষকদের নেতৃত্বে ভাংচুর পরিচালিত হয়। যেখানে বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবিসহ ছাত্রলীগের কার্যালয় ভাঙ্গচুর করা হয়।

জানা যায়, সাধারন গরিব শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে যে গরিব ফান্ড দেওয়া হয় তার দরখাস্ত নিয়ে গেলে ইইই ডিপার্টমেন্ট এর চেয়ারম্যান ডঃ শামীমুল হক সাহেব রাজনৈতিক কারনে তাদের দরখাস্তের সাইন দিতে অস্বীকৃতি জানায় এবং

“মনে আল্লাহর ভয় থাকলে ছাত্রলীগ করতে না”

বলে ছাত্রদের উসকানী প্রদান করে। পরবর্তীতে নাটকীয় কায়দায় তিনি শিক্ষক লাঞ্ছনার দাবি তোলে । বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগে অনুপ্রবেশকারী মোঃআদনান নামের এক শিবির এজেন্ট, যে শিবিরের সাথী , ওই
শিক্ষার্থী নির্যাতনের যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তার কাছ থেকে আগামী চার বছরের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ মুক্ত করার চানচল্যকর তথ্য পাওয়া যায় ।

পরবর্তিতে শিবিরের সাংগঠনিক নোটবুক ও কর্মপরিকল্পনার প্রমান সহ, সুস্থ অবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয় হল প্রভোষ্ট ও কর্তৃপক্ষকের কাছে তাকে প্রদান করা হয়েছে।

এরপর পরই কর্তৃপক্ষ ও জামাত নিয়ন্ত্রিত শিক্ষকরা উপাচার্যকে চাপ দিয়ে জামাত নিয়ন্ত্রিত সিন্ডেকেট শর্ট নোটিশে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষনা করে।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রপ্রতিনিধি আবু নাছের জুয়েল এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন “বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ শিক্ষার্থীদের জন্য ফান্ডের যথাযথ ব্যাবস্থাপনার দাবি তোলে। এতে কিছু শিক্ষকের তালবাহানা ও ছাত্রলীগের অনুপ্রবেশকারী এক শিক্ষার্থী নিয়ে শিবিরের সাথে ঝামেলা তৈরি হয়। এর প্রেক্ষিতে জরুরি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় ও হল ত্যাগের সিদ্ধান্ত আসে। সেখানে ভাঙ্গচুরের ঘটনার অভিযোগ উঠে। আমাদের উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষ বিষয় গুলো নিয়ে অবগত আছেন। আমরা আশা করি অতিসত্তর কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা করে আশু সমাধান করবেন।

ছাত্রনেতা আসিফ ইকবাল সৌরভ বলেন “বিশ্বিদ্যালয় প্রশাসনের এগগুয়েমির কারনে আজকে বিশ্ববিদ্যালয় অচলবস্থা চলছে। আমরা এর দ্রুত সমাধান কামনা করি ।

ছাত্রনেতা জুবায়ের ইসলাম ডলার বলেন “পিতা মুজিব আমাদের আবেগের স্থান, উনার ছবির উপর হামলা চরম ধৃষ্টতা। একটি দেশ বিরোধী চক্র সুদীর্ঘ সময় ধরে এই বিশ্ববিদ্যালয়কে পৈতৃক সম্পত্তি হিসেবে ব্যাবহার করেছেন, সেই সুনির্দিষ্ট দেশ বিরোধী চক্র আবারো তাদের স্বরূপে ফিরে এসেছে‍। আমরা তাদের কে কোনরূপ ছাড় দিবো না ।

ছাত্রনেতা শাহরিয়ার হামিদের সঞ্চালনায় এসময় বক্তব্য রাখেন আব্দুল জব্বার নাঈম, শফিউল, রবিউল, উচো মার্মা, ইথান, সাকিব, তুষার, আরমান, ফাহিম, ইসরাক, আনান, আবিদ সহ প্রমুখ।

বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সকল স্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।।



ফেইসবুকে আমরা

আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
অনলাইন বিজ্ঞাপন