বাংলাদেশ, , শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪

আ’লীগ নেতার চরিত্র হননের অপচেষ্টায় লিপ্ত আমার মামারা- নুরুল আমিন

বাংলাদেশ পেপার ডেস্ক ।।  সংবাদটি প্রকাশিত হয়ঃ ২০২৩-০২-০৯ ২১:১৬:৫৮  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

কক্সবাজারের বিজিবি ক্যাম্প এলাকায় ভাগিনাদের সম্পত্তি দখলে নিতে কেয়ারটেকারের উপর হামলা চালিয়েছে মামার লেলিয়ে দেয়া দুর্বত্তরা। হামলায় আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মামাদের অব্যাহত হুমকিতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বোনের ছেলেরা। হামলার পর নিজেদের অপরাধ আড়াল করতে উল্টো বোনের ওয়ারিশ ও জমি ক্রেতাদের বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার চালাচ্ছেন জমি আত্মসাতকারী মামা নাছির উদ্দিন। এ অবস্থায় মামার মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বোনের ছেলে ভুক্তভোগী নুরুল আমিন ও তানভীর হোসেন।

বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন দাবি করেছেন তারা।

ভূক্তভোগীদের দাবি, বিজিবি ক্যাম্প এলাকার বাসিন্দা মৃত মনির আহমেদ মুন্সির ওয়ারিশ ছেলে জামায়াত নেতা নাছির উদ্দিন পৈত্রিক জমির মালিক হন ২ একর ৪০ শতক আর বোনরা পাবেন ১ একর ২০ শতক। এরই মধ্যে শঠতার আশ্রয় নিয়ে নাছির উদ্দীন প্রায় ৭ একর জমি বিক্রি করেছেন। যা প্রাপ্যের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি। একই সাথে বছরের পর বছর বোনদের জমি দেয়ার কথা বলে প্রতারণা করছেন মামারা। বোনের ছেলেরা মালিকানা দাবি করলে বিভিন্ন সময় তাদের উপর হামলা চালানো হয়েছে বলেও দাবি করেছেন তারা। এ অবস্থায় মায়ের নায্য অংশ নিয়ে খতিয়ান করে নিয়মিত খাজনাও দিয়ে আসছেন। সম্প্রতি জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক এক নেতাকে খতিয়ানের জমি বিক্রি করেছেন জমির মালিক নুরুল আমিন।

জমি বিক্রির পর থেকে মনির আহমেদ মুন্সির ছেলে ও মেয়ের ওয়ারিশের মধ্যে বিরোধ দেখা দিয়েছে।

দুই বোনের ছেলে নুরুল আমিন, তানভীর হোসেন অভিযোগ করে বলেন, মামারা মায়ের সম্পত্তি ভাগ করে দিবে দিবে বলে প্রতারণা করে আসছে। বাধ্য হয়ে ২০১৪ সালে মায়ের অংশ নিয়ে খতিয়ান করি। যার নাম্বার ১২২৩১। নিয়মিত খাজনাও দিয়ে যাচ্ছি। এরই মধ্যে নিজেদের টাকার প্রয়োজন পড়লে জেলা আওয়ামী লীগ নেতাকে জমি বিক্রি করি এবং ক্রেতাদের দখল বুঝে দিই।

ক্রেতারা সীমানা প্রাচীর ও স্থাপনা নির্মাণ করতে গেলে মামার লোকজন হামলা চালায়। এতে দুইজন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

নিজেদের অপরাধ আড়াল করতে আওয়ামী লীগ সিনিয়র নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তার ছেলের নামে অপপ্রচার চালাচ্ছে। অথচ জমি দখল বুঝিয়ে দিয়েছি আমরা।

মোহাম্মদ নুরুল আমিন আরো বলেন, এরআগে মানাদের জমি নিয়ে বিরোধ দেখা দিলে থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার ও জেলা পরিষদ সদস্য মাহমুদুল করিম মাদুর নেতৃত্বে পৃথক পৃথক কয়েক দফা বৈঠক হয়। সমাধানে আসবে বলেও মামা সমাধান না করে প্রতিনিয়ত মিথ্যাচার করছে। নিজেরা অপরাধ করে এখন অন্যের উপর দোষ চাপিয়ে যাচ্ছে।

এ সময় উপস্থিত জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল হক মুকুল বলেন, যাদের কাছ থেকে (নুরুল আমিন) জমি কিনেছি তারা সবাই মনির আহমেদ মুন্সির ওয়ারিশ। তাদের খতিয়ান এবং খাজনার কাগজে কোথাও ভুল নেই। আইনজীবীদের সাথে কথা বলে কাগজ ভূঁয়াও পাওয়া যায়নি। ওয়ারিশ আমাদের জমি বুঝিয়ে দিয়েছে। সে মতে টিনের ঘেরা ও ঘর করেছি। অথচ আমাকে ও আমার ছেলেকে দখলবাজ বলা হচ্ছে।

তিনি বলেন, কাগজপত্রে যদি সঠিক থাকে তাহলে জমি আমরা না কিনলেও অন্যকেউ কিনতো। জমি ক্রয় করা কি অপরাধ ? তাই সঠিক তথ্য নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।


পূর্ববর্তী - পরবর্তী সংবাদ
       
                                             
                           
ফেইসবুকে আমরা