বাংলাদেশ, , শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

ক্লাস বন্ধ রেখে শ্রেণিকক্ষে চলমান মেরামত কাজ

বাংলাদেশ পেপার ডেস্ক ।।  সংবাদটি প্রকাশিত হয়ঃ ২০২২-১১-০২ ০৮:৫৬:০৯  

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার ধানুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তিনটি শ্রেণিকক্ষে গত ২৭ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) থেকে শিক্ষা-কার্যক্রম বন্ধ রেখে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক ইউনুস আলী মন্ডল চালাচ্ছেন বিদ্যালয়ের মেরামত কাজ।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, বেশ কিছুদিন ধরে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষের আসবপত্র মেরামত ও ভবন সংস্কারের কাজ করছেন প্রধান শিক্ষক। এমনকি তিনি সেখানে মেরামত কাজ চলমান রেখেই কক্ষে ক্লাস করাচ্ছেন।

শিক্ষার্থীরা জানান, গত ২৭ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) থেকে স্কুলের কাজ করা দেখেছি আমরা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধান রাখার করণে আমাদের ক্লাস করতে সমস্যা হচ্ছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের সামনে খোলা জায়গাই শ্রেণীকক্ষের আসবাবপত্র মেরামত ও রঙের কাজ চলছে। বিদ্যালয়ের পেছনের কয়েকটি অংশেও চলছে মেরামত ও রঙের কাজ।

পাংশা আমতলা নামক স্থান থেকে সংস্কার কাজ করতে আসা শ্রমিক শফিক জানান, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইউনুস আলী আমাদের বিদ্যালয়ের রঙের কাজ করার জন্য আসতে বলেছেন। আমরা সেই কাজ করছি। ক্লাস বন্ধ রেখে করবেন কিনা সেটা সে জানেন আমরা এবিষয়ে কিছু জানিনা।

ধানুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইউনুস আলী মন্ডলের সাথে সরেজমিনে কথা বলতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কে এম নজরুল ইসলাম বলেন, ক্লাস বন্ধ রেখে বিদ্যালয় কিংবা দিদ্যালয়ের কোনো আসবাবপত্র মেরামতের সুযোগ নেই। এখন শুক্র-শনিবার বিদ্যালয় বন্ধ থাকে। তিনি চাইলে সেসময় কাজ করতে পারেন। বিষয়টি আমরা দেখছি।

উল্লেখ, এর আগে বিদ্যালয়টির সভাপতি আহসান হাবীব এবং ম্যানেজিং কমিটির অন্যান্য সদস্যরা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইউনুস আলী মন্ডলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। সেখানে উল্লেখ করা হয়, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির পরামর্শ ও মতামত না নিয়ে বিদ্যালয়ের টাকা দিয়ে যেনতেনভাবে কাজ করে সম্পূর্ণ টাকা খরচের হিসাব দিয়ে অবশিষ্ট টাকা আত্মসাতের অচেষ্টা করছেন। বর্তমান ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে নতুন কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেন। নতুন কমিটি অনুমোদন না পেলেও সেই কমিটি দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনার অপচেষ্টা চালান। এছাড়াও বিদ্যালয়ের জমি পরিমাপ করে বিদ্যালয়ে থাকা অতিরিক্ত ২লক্ষ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ৩.৩২ শতাংশ জমি নিজের নামে নামপত্তন করে নেন। সেই সাথে সেখানে থাকা মেহগনি গাছ কেটে নেন। গত ২৩ অক্টোবর এই অভিযোগের তদন্ত হয়।


পূর্ববর্তী - পরবর্তী সংবাদ
       
                                             
                           
ফেইসবুকে আমরা