বইয়ের মলাটে গাঁজার চালান!

প্রকাশিত: ৯:০৮ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১২, ২০২২

মাদকের চোরাচালান হচ্ছে বইয়ের মাধ্যম। বেছে নেয়া হচ্ছে কুরিয়ার সার্ভিস। বইয়ের মলাটে গাঁজার একটি চালান আটকের পর গোয়েন্দারা জানতে পেরেছে এসব তথ্য।

চালানটি বাংলাদেশ থেকে বাহরাইনে যাওয়ার কথা ছিল। মাদক উদ্ধার হলেও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। তারা বলছে, জড়িতদের খুঁজে পেলে বেরিয়ে আসবে বিদেশে মাদক চোরাচালানের সিন্ডিকেট।

কুরিয়ারে বই পাঠানো হচ্ছে বাহরাইনে। গোয়েন্দাদের কাছে আগেই তথ্য ছিল এ বইগুলোর ভেতরে গাঁজার একটি চালান যাচ্ছে দেশটিতে। কুরিয়ার সার্ভিস থেকে উদ্ধার করা হয় সেই বইগুলো। বইয়ের প্রতিটি পৃষ্ঠা খুঁজে দেখা গেল কোথাও নেই মাদকের অস্তিত্ব। তবে কি তথ্যে গরমিল ছিল? বইগুলো উল্টেপাল্টে মাদক খোঁজার চেষ্টা করেন গোয়েন্দারা। সন্দেহ হয় মলাটে। এরপর বইয়ের মলাটের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসে মাদক। পাঁচটি বই কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পাঠানোর কথা ছিল বাহরাইনে। প্রতিটি বইয়ের দুপাশের মলাটের ভেতর ঢোকানো হয়েছে গাঁজা। যেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর চোখ ফাঁকি দেয়া যায়। যদিও শেষ রক্ষা হয়নি।

মলাট খুলতেই পাওয়া যায় গাঁজার সন্ধান। বইয়ের মলাটে গাঁজা ঢুকিয়ে এমনভাবে আঠা দিয়ে জোড়া লাগানো হয়েছে যেন বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই।

পুলিশ বলছে, মাদকের এই চালানটির উৎস খুঁজছেন তারা। বাহরাইনে একজনের নাম ঠিকানাও পাওয়া গেছে।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ পুলিশ কমিশনার (গুলশান বিভাগ) মশিউর রহমান বলেন, বই স্ক্যান করার পর তারা জানতে পারেন (কুরিয়ার সার্ভিস) এটাতে গাঁজা বহন করা হচ্ছে, তখন তারা আমাদের অবগত করেছে। এরপর আমাদের টিম বইগুলো উদ্ধার করে গাঁজা বের করে। মাদককারকারীরা বইয়ের মলাটে আটা লাগিয়ে দেশের বাইরে চালান করছিল। বাহরাইনে একজনের নাম ঠিকানাও পাওয়া গেছে। বাংলাদেশের কিছু মানুষ নাম ঠিকানা দিয়েছে, সেসব দিয়ে এসব মাদককারবারিদের ধরার চেষ্টা করা হচ্ছে। আশা করছি সফল হবো।

এর আগেও নির্দিষ্ট এ কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমেই মাদকের চালান গেছে দেশের বাইরে