সতর্কতা ও নিরাপত্তাই যেকোন ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব-মারুফ

প্রকাশিত: ১১:৩৮ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৭, ২০২১

সোমবার থেকে শুরু হওয়া অব্যাহত বৃৃষ্টিতে প্লাবিত হয়েছে কক্সবাজারের নিম্নাঞ্চল। পাহাড়ী ঢলে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন সহস্রাধিক বসতবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এছাড়া যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে অনেক নিম্নাঞ্চল। মঙ্গলবার পাহাড় ধসে রোহিঙ্গা ক্যাম্প শিশুসহ চারজন নিহত হয়েছে। এছাড়া টেকনাফ ও মহেশখালীতে পাহাড় ধসে মারা গেছে দুই জন। এ অবস্থায় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সজাগ থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মারুফ আদনান নিজের ফেইসবুক আইডিতে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সেখানে তিনি লিখেছেন, করোনা মহামারীর কারণে মানুষ কর্মহীন, তার উপর প্রাকৃতিক দুর্যোগে দিশাহারা মানুষ। যারা পাহাড়ের চূড়ায়/ঢালে বসবাস করছেন এই দুর্যোগে অতিবৃষ্টির কারণ যেকোনো মুহূর্তে পাহাড় ধ্বসে জানমালের ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একমাত্র সতর্কতায় যেকোনো ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব বলে মনে করেন তিনি। সুতরাং যে যার যার অবস্থান থেকে সর্তক হোন। মানুষের বিপদে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়ার কর্মীদের আহব্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যে এলাকায় যাদের অবস্থান অসহায় ও বিপদগ্রস্ত মানুষে পাশে গিয়ে দাড়াও।

পাঠকের সুবিধার্থে হুবুহু তুলে ধরা হলো-

পাহাড় ধ্বসের সম্ভাবনা ও মৃত্যুর ঝুঁকি এড়াতে সতর্ক থাকার আহ্বান।
———————————————————————
বিগত কয়েক দিন ধরে একনাগাড়ে মুষল ধারে বৃষ্টি হচ্ছে। সাগরে এক সাপ্তাহের দুই টি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে ৩নং সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। বৃষ্টি আরো কয়েক দিন অব্যাহত থাকবে। অতি বৃষ্টির কারণে কক্সবাজার জেলার দ্বীপাঞ্চল ও উখিয়া উপজেলার রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ সব উপজেলায় ইতিমধ্যে জলোচ্ছ্বাস, বন্যার পদধ্বনি দেখা যাচ্ছে। প্লাবিত হয়েছে জেলার প্রতিটি উপজেলার তিনচতুর্থাংশ এলাকা। এক তো করোনা মহামারীর কারণে মানুষ কর্মহীন , তার উপর প্রাকৃতিক দুর্যোগে দিশাহারা অবস্থায় মানুষ। যারা পাহাড়ের চূড়ায়/ঢালে বসবাস করছেন এই দুর্যোগে অতিবৃষ্টির কারণ যেকোনো মুহূর্তে পাহাড় ধ্বসে জানমালের ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিগত কয়েক বছরে কক্সবাজারে পাহাড় ধ্বসে অনেক মানুষ মারা গেছে এবং প্রচুর ক্ষয়ক্ষাতি হয়েছে। একমাত্র সতর্কতায় পারে যেকোনো ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে, সবার মনে রাখতে হবে সতর্কতা ও নিরাপত্তাই যেকোন ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব, জীবনের আগে কখনো জীবিকা হতে পারেনা, সুতরাং যে যার যার অবস্থান থেকে সর্তক হোন, মানুষের বিপদে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন, সবাই নিরাপদে বসবাস করুন।

সেই সাথে কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের প্রত্যেক নেতা কর্মীদের আহব্বান জানাচ্ছি যে, যে এলাকায় অবস্থান করছো আশে পাশের অসহায় ও বিপদগ্রস্ত মানুষে পাশে গিয়ে দাড়াও।