বাড়ির দরজায় মোবাইল নম্বর, কল দিলেই হাজির হবে পুলিশ

প্রকাশিত: ১১:৩২ অপরাহ্ণ, জুন ২৪, ২০২১

রাকিবুল ইসলাম রাফি

বাংলাদেশ পুলিশ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন, অপরাধীদের গ্রেপ্তার, মামলা গ্রহণ, বিচারে সহায়তা, সড়ক শৃঙ্খলা ও ভিআইপি নিরাপত্তা-প্রটোকলসহ অনেক দায়িত্ব পালন করে। করে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কাজও।

বাংলাদেশ পুলিশ জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে জনগণকে সচেতন করে তোলা, ট্রাফিক আইন মেনে চলতে শিক্ষার্থীসহ অন্যদের আগ্রহী করে তোলা, হেলমেট পরে মোটরসাইকেলে ওঠা – ইত্যাদি বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে কার্যক্রম গ্রহণ করে থাকে।

ড. বেনজীর আহমেদ পুলিশের সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সারাদেশকে ছয় হাজার ৯১২টি বিটে ভাগ করে প্রতি বিটে একজন কর্মকর্তাকে পদায়নের মাধ্যমে `বিট পুলিশিং‘ কার্যক্রম চালু করেন। এতে থানায় না গিয়ে ঘরে বসে পুলিশি সেবা মিলছে। ফলে কমেছে ভোগান্তি। পাশাপাশি পুলিশের প্রতিও সাধারণ মানুষের আস্থা বেড়েছে।

একটা সময় এমন ছিল পুলিশের সেবা পেতে মানুষকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হতো। থানার ওসি কিংবা সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করা কিংবা তার মোবাইল নম্বর পেতে ছুটতে হতো এখানে-সেখানে। এখন আর কোনো অভিযোগ জানাতে কিংবা পুলিশের জরুরি সেবা পেতে থানায় ছুটতে হবে না। মানুষের জানমালের নিরাপত্তা ও পুলিশের সেবা সাধারণ মানুষের দোড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে ইতোমধ্যে সারাদেশে উদ্বোধন করা হয়েছে জেলা পুলিশের বিট পুলিশিং কার্যক্রম। ‘বিট পুলিশিং বাড়ি বাড়ি, নিরাপদ সমাজ গড়ি’-এ স্লোগানে দেশের প্রতিটি জেলায় শুরু হয়েছে জেলা পুলিশের বিট পুলিশিং কার্যক্রম।

দেশের প্রতিটি জেলার উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভায় একজন করে বিট অফিসার দায়িত্ব পালন করছেন। ছোটখাটো ঘটনায় থানায় যেতে হবে না সেবাগ্রহীতাদের। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাসহ যে কোনো সেবা পেতে যোগাযোগ করা যাবে বাড়ির পাশেই বিট কর্মকর্তাদের কাছে। আর বিট কর্মকর্তাকে মোবাইল ফোনে তাৎক্ষণিক যে কোনো ঘটনা জানানো যাবে ঘরে বসেই।

ঘরের দরোজায় সাঁটানো বিট পুলিশিং স্টিকারে থাকবে সংশ্লিষ্ট বিট কর্মকর্তা, থানার ওসি ও ডিউডি অফিসারের মোবাইল নম্বর। যে কোনো প্রয়োজনে তাদের সহযোগিতা নিতে পারবে এলাকাবাসী।

সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের ব্যক্তিরা বলছেন, এটাই তো ডিজিটাল বাংলাদেশ। মানুষ থানায় না গিয়ে এমন সেবা পাচ্ছে, বিষয়টি ভাবতেই ভালো লাগে। আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদের নেতৃত্বে পুলিশকে একটি জনবান্ধব পুলিশ বাহিনীতে রূপান্তর করতে কাজ করছে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স।