জেলা পরিষদ সদস্য ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সহ ১৩ আসামী কারাগারে

প্রকাশিত: ১১:৫৬ অপরাহ্ণ, মে ১৮, ২০২১

রাকিবুল ইসলাম রাফি

ঈদের দিন (গত ১৪ মে) রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার সরিষা ইউনিয়নের বহলাডাঙ্গা কারিগরপাড়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় পাংশা মডেল থানায় পাল্টা-পাল্টি মামলা দায়ের করে সংঘর্ষে জড়িত দুই পক্ষ।

দু-পক্ষের দুটি মামলার মধ্যে সরিষা ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান আজমল আল বাহারের দায়ের করা মামলায় সোমবার (১৭ মে) রাতে পাংশা থানা পুলিশের সদস্যরা রাজবাড়ী জেলা পরিষদ সদস্য ও পাংশা উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আহম্মেদ হোসেন এবং পাংশা উপজেলার সরিষা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুস সোবাহানসহ মোট ১৩ জন আসামীকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃতদের মঙ্গলবার (১৮ মে) সকালে আদালতে পাঠানো হয়। তবে বিকালে অনুষ্ঠিত হয় জামিন শুনানী। শুনানী শেষে আদালতের বিঙ্গ বিচারক তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এব্যাপারে পাংশা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সাহাদাত হোসেন জানান, ওই সংঘর্ষের ঘটনায় মতিয়ার নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে। মামলার গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো, বহলাডাঙ্গা গ্রামের মৃত লইচোর ছেলে আব্দুর রশিদ (৫৫), মৃত আছমত মন্ডলের ছেলে আহম্মদ হোসেন (৬০), মৃত আছমত মন্ডলের ছেলে মোঃ আব্দুস সোবাহান (৫২), মৃত গোলাম মোস্তফার ছেলে মোঃ ফরিদ বিশ্বাস (৫০), মৃত আছমত আলী মন্ডলের ছেলে আসাদুজ্জামান রতন (৩৫), মৃত মোহাম্মদ আলী সরদারের ছেলে মোঃ মতিন (৩৫), আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে নুরু মন্ডল (৩৫), হাচেন মন্ডলের ছেলে কাবিল মন্ডল (৩৫), মৃত জামাল উদ্দিনের ছেলে আব্দুল মান্নান (৪০), বহলাডাঙ্গা কারিগরপাড়ার মৃত সোহরাব উদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে মোঃ কামাল হোসেন (৩৮), বিত্তিডাঙ্গা গ্রামের রুস্তম আলীর ছেলে সোহরাব হোসেন (৪৫), বড় বনগ্রামের সামছেল মোল্লার ছেলে জিয়া মোল্লা (৪০) এবং কোলানগরের মজিবর গাজীর ছেলে মিলন গাজী (২৭)।

সংশ্লিষ্ঠরা জানিয়েছেন, আদালতে তাদের জামিন আবেদন করা হয়। তবে আদালতের বিচারক শুধাংশু শেখর রায় তাদের জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নিদের্শ দেন।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের মধ্যে, কামাল, জিয়া সোবাহান ও রতন এই চারজন গত ২০১৯ সালে সরিষায় সংঘটিত পিকুল হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামী বলে জানা গেছে। এছাড়াও এদের মধ্যে সরিষার বহলাডাঙ্গা পশ্চিম পাড়ায় সংঘটিত ২০১৭ সালের আনাই হত্যা মামলায় এজহারে রতন ও কামাল এজাহারভুক্ত আসামী।




error: কপি রাইট আইনে সর্বস্বত সংক্ষিত