অটো-সিএনজি থেকে নেমেই গুনতে হচ্ছে তিনগুণ ভাড়া

প্রকাশিত: ৬:৩৪ অপরাহ্ণ, মে ১৭, ২০২১

রাকিবুল ইসলাম রাফি :

ঈদ উদযাপন শেষে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছে দক্ষিণ-পশ্চিমবঙ্গের মানুষ। এতে পদ্মার দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে বেড়েছে মানুষের চাপ। এদিকে গন্তব্যে পৌঁছাতে যাত্রীদের গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া। আর তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে তিনগুণ।

রোববার ও সোমবার (১৬-১৭ মে) সকাল ৯টার পর থেকে দৌলতদিয়া থেকে পাটুরিয়া ঘাটে আসা প্রতিটি ফেরিতে যাত্রীর চাপ দেখা যায়। এসব ফেরিতে জরুরি, যাত্রীবাহী ও পণ্যবাহী যানবাহনও পার হচ্ছে।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) ফিরোজ আলম বলেন, পাটুরিয়া ঘাটে তেমন চাপ না থাকলেও দোলতদিয়া ঘাটে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ রয়েছে। রবিবার (১৬ মে) সকাল থেকে এ নৌরুটে ১৬টি ফেরি চালু রয়েছে। এসব ফেরিতে প্রচুর সংখ্যক ঢাকামুখী মানুষ পাটুরিয়া ঘাটে যাচ্ছেন তবে ঈদের আগের তুলনায় ফেরিতে ভিড় অনেকটাই কম। যাত্রীরা ঘাটে এসে বিভিন্ন যানবাহনে ঢাকা পৌঁছাচ্ছেন।

এদিকে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় ঘাট এলাকায় যাত্রীদের পৌঁছাতে হচ্ছে ভেঙে ভেঙে। এতে ভোগান্তির পাশাপাশি দিতে হচ্ছে তিনগুণ বাড়তি ভাড়া।

অন্যদিকে ঈদের আগে বাড়ি ফিরতে না পারা যাত্রীদেরও পাটুরিয়া থেকে ফেরিযোগে দক্ষিণ-পশ্চিমবঙ্গে যেতে দেখা যায়।

দোলতদিয়া ঘাট প্রান্তে কুষ্টিয়া ও মাগুরা থেকে ঢাকাগামী কয়েকজন যাত্রিরা অভিযোগ করে বলেন, গণপরিবহন বন্ধ থাকায় আমাদের অটো, সিএনজি করে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে যেতে হচ্ছে। যেখানে সীমিত পরিসরে জায়গা। আমরা জানি এতে করোনা সংক্রমণ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে কিন্তু সবকিছু জানার পরেও আমাদের যেতে হচ্ছে। গণপরিবহন যদি চালু থাকতো তবে আমাদের ভোগান্তির পাশাপাশি সংক্রমণের সম্ভাবনাও কিছুটা হ্রাস পেত।